Archive for the ‘Uncategorized’ Category

Is it the Right Time to Have Sex with your partner?

Wednesday, March 10th, 2010

Sex is essential in any relationship. To avoid headache and heartache afterwards, take the steps to know if it’s the right time.

• Be clear on your position in the relationship before doing anything to your partner. Think about sex with your partner.

• Find out what your partner thinks and honestly state your position. Talk about sex with your partner. If this seems uncomfortable, then sex will too.

• Think about how much you really know your partner. Sex is all about trust and intimacy; make sure you have that with each other beforehand.
(more…)

Tags: doing sex, sex, sex with parthner

Related posts

What is Medicine/ Drug

Thursday, February 12th, 2009

Medicine/ Drug:
Drug is a substance which is taken internally and externally to cure diseases.
ঔষধ :
যে সকল দ্রব্য মানবদেহে প্রবেশ করলে উক্ত দ্রব্যের গুণগত সত্ত্বার মাধ্যমে শরীরে প্রক্রিয়াশীল হয়ে শরীরে আগত অস্বাভাবিদ অবস্থাকে স্বাভাবিক করে ব্যাধিমুক্ত করে এবং অন্যদের রোগ উৎপন্ন করে না, ইহার নাম ওষধ।

Tags: drug, herbal, herbal medicine, medicine

Related posts

মল

Tuesday, January 27th, 2009

যা শরীর বা দেহকে মনীলিকার অর্থাৎ শরীরের দুর্গন্ধযুক্ত দ্রব্য বা পদার্থ সকলকে রের করে দিয়ে শরীরকে মণীলি বা পবিত্র করে, ইহাদেরকে মল বলে। মল তিন প্রকার। যথা:
১. পুরীষ,
২.মূত্র ও
৩. স্বেদ বা ঘর্ম

এগুলি ছাড়াও নাকের শ্লেষ্মা, অপ্রয়োজনীয় চুল, হাত-পায়ের নখ, চোখের ময়লা (কেতুর), চোখের জল ইত্যাদিকেও মল হিসেবে ধরা হয়েছে।
বায়ু প্রকোপে মল কালবর্ণ হয়।
পিও প্রকোপে মল পীত বা ঈষৎ বর্ণ হয়।
কফ প্রকোপে মল শ্বেতবর্ণ হয়।
মলের কাজ:
পুরীষ : এর প্রধান কাজ শরীরকে ধারন।
পুরীষ : এর প্রধান কাজ অভ্যন্তলিন ক্লেদ নেঃসরণ।
ঘর্ম : এর প্রধান কাজ ক্লেদ নির্ধারন ও কেশ রোমাদির রক্ষণ।

No tags for this post.

Related posts

আয়ুরর্বেদের ত্রি-দোষ তত্ত্ব

Monday, October 22nd, 2007

আয়ুরর্বেদের ত্রি-দোষ তত্ত্ব । আয়ুরর্বেদ চিকিৎসা বিঙ্গান ৩টি বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত।
বায়ু, পিত্ত , কফ। এই ৩টি জিনিস প্রত্যেক মানুষের শরীরেই আছে। এই গুলো যখন মানব শরীরে স্বাভাবিক ভাবে থাকে তখন মানুষ রোগ ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকে।কিন্তু যখনই বায়ু , পিত্ত অথবা কফের যেকোন ১টির অস্বাভাবিক অবস্থায় বা প্রকুপিত অবস্থায় থাকে, তখনই মানব শরীরে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। তাই আয়ুরর্বেদ চিকিৎসা বিঙ্গানে ত্রি-দোষ তত্ত্বের গুরত্ব অপরিসীম। তাই আজ থেকে ৫০০০ বছর পুর্বের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা ত্রি-দোষ বিষয়ে মূল্যবান তথ্য প্রদান করে গেছেন।আর এই তথ্যের ভিত্তিতে হাজার হাজার বছর পূবের চিকিৎসকগণ থেকে শুরু করে আজ পযন্ত যত আয়ুরেবদ চিকিৎসক চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছেন তারা সবাই ত্রি-দোষ সূত্রের ভিত্তিতে রোগ নিণর্য় করে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন ।যারা ত্রি-দোষ বিদ্যায় যতবেশী দক্ষতা অর্জন করে রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে চিকিৎসা করেছেন তারা ততবেশী সনাম ধন্য চিকিৎসক হিসেবে ইতিহাসে পরিচিত হয়ে রয়েছেন। তাই আয়ুরর্বেদ পদ্ধতিতে রোগের চিকিৎসার জন্য বায়ু, পিত্ত ও কফ তথা ত্রি-দোষ জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক আয়ুরবেদ চিকিৎসেকর জন্য অত্যন্ত জরুরী।কিন্তু বর্তমান কালে যারা আয়ুরবেদ চিকিৎসা করেন তাদের অধিকাংশই এ ত্রি-দোষ জ্ঞান বঞ্চিত বিধায় তাদের মাধ্যমে সঠিক ভাবে আয়ুরবেদ চিকিৎসা পাওয়া আশা করা যায় না। এ কারনেই আজ শত শত তথা হাজার হাজার টাকা বিভিন্ন রোগের পিছে খরচ করেও রোগীরা তথাকথিত ‘ছদ্মচর বৈদ্য’ বা ভন্ড চিকিৎসকদের কাছ থেকে সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না। আর যারা আয়ুরবেদ চিকিৎসায় বাংলাদেশ তথা বিশ্বের বিভিন্ন স্থান হতে এম.বি.বি.এস সমতুল্য বি.এ.এম.এস অর্থাৎ ব্যাচেলর অব আয়ুর্বেদিক মেডিসিন এন্ড সার্জারী ডিগ্রী অর্জন করেছেন তারাও ত্রি-দোষ বিদ্যা পুরোপুরি অর্জন করেননি বিধায় চিকিৎসা পেশায় দক্ষতা দেখাতে পারছেন না। তাই মানুষ এসকল অধুনা আয়ুরর্বেদ হারবাল ডাক্তারদের কাছ থেকে আশানুরূপ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না যা খুবই চিন্তার বিষয়। তাই সাধারণ জনগণ তথা রোগী মহোদয় আয়ুরর্বেদ চিকিৎসার নামে খুবই প্রতারিত ও বিভ্রান্ত হচ্ছেন যা অধুনা এই শিক্ষিত সমাজে খুবই অনাকাক্ষিত। বা আয়ুরর্বেদ চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রাথমিক জ্ঞান বর্তমান জনসমাজে না থাকার কারণে জনসাধারণ অযথা ধোকা খাচ্ছেন ।তাই ত্রি-দোষ সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানা বর্তমান সমাজে সবার জন্য দরকার। অন্তত পক্ষে যারা এই ওয়েব সাইট visit করবেন তারা আমার দেয়া ত্রি-দোষ সংকান্ত সংক্ষিপ্ত তথ্য জেনে জীবনে এক অমূল্য সম্পদ অজ্র্ন করবেন বলে আশা রাখি।
চলবে….. :razz:

No tags for this post.

Related posts

বায়ু

Monday, October 22nd, 2007

বায়ু: যে পদার্খের রূপ নেই, গন্ধ নেই, কিন্তু ওজন আছে, আয়তন আছে, গতিশীল, শব্ধময় এবং স্পর্শন অনুভূত হয়, এবং বল প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে তাকে বায়ু বলে। বায়ুর অপর নাম প্রাণ। কারণ বায়ুই প্রাণকে রক্ষা করে।যতক্ষণ পযন্ত প্রাণী দেহে বায়ু চলাচল করে ততক্ষণ পযন্ত প্রাণী জীবিত। যখন কোন না কোন কারণে প্রাণীদেহ থেকে বায়ু বিচ্ছিন্ন হয়, তখন প্রাণী মৃত, দেহ একটি খাঁচা মাত্র। বায়ু ৫ প্রকার। স্বাভাবিক অবস্থায় বায়ু ইন্দ্রিয় সকলকে (হাত, পা, গুহ্যদেশ, লিঙ্গ, জিহবা, নাক, কান, চোখ, মুখ, মস্তিক,মন) সঠিক বা সুষ্ঠ ভাবে পরিচালনা করে।অবিকৃত স্বাভাবিক বায়ু সর্ব প্রকার কাজে উদ্যোগ বা উৎসাহ, প্রশ্বাস , নিঃশ্বাস, মৌখিক, শারীরিক ও মানসিক চেষ্টা, মলমূত্রাদির বেগ প্রবর্তন (প্রবৃত্তি, আরম্ভ, নিয়োজন), ধাতু সমুহের সম্মুখ গতি ও ইন্দ্রীয় সমুহের পটুত্ব দ্বারা শরীরকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে।
বায়ু তেজঃ পদার্থের সাথে সংয়ুক্ত হয়ে শালীনতা উৎপন্ন করে। বায়ু যখন অবিকৃত
অবস্থায় থাকে, তখন দোষ, মল ও অগ্নির স্বাভাবিক কার্যাদি সম্পাদন করে। একে প্রকৃতি বা স্বাভাবিক কার্য বলে।
বায়ু যখন কুপিত বা অস্বাভাবিক হয়, তখন দেহে নানা প্রকার রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়। যেমন: ত্বকের কর্কশতা, কন্ঠস্বর কর্কশতা, ধাতুক্ষয়, রাত্রিজাগরণ, মার্গাবরণ, অতিমৈথুন, মলমূত্র, অধোবায়ু, বমি, হাঁচি, ক্ষুধা, পিপাসা, অশ্রু, নিদ্রা এবং শ্রমজনিত নিঃশ্বাসের বেগ ধারণ।

বায়ু বায়ুর প্রকার অবস্থান
উদান বায়ু কন্ঠ নালী
প্রাণ বায়ু হৃদয়(Heart)
সমান বায়ু নাভী
অপান বায়ু মলাশয়
ব্যাণ বায়ু ত্বক

(more…)

No tags for this post.

Related posts