তেঁতুল

তেঁতুল : ভেষজবিদদের মতে, রোগ প্রতিকারে অনেক পদ্ধতিতে তেঁতুলের ব্যবহার করা যায়। রক্তে কোলেস্টেরল কমানোর কাজে বর্তমানে তেঁতুলের আধুনিক ব্যবহার হচ্ছে। নিয়মিত তেঁতুল খেলে শরীরে সহজে মেদ জমতে পারে না। তেঁতুলে টারটারিক এ্যাসিড থাকার ফলে খাবার হজমেও এটি দারম্নণ সহায়ক। পেটের বায়ু ও হাত-পা জ্বালায় তেঁতুলের শরবত খুবই উপকারী।
tetul1
পেটের গ্যাস, মাথাব্যথা, ধুতরা অথবা কচুর বিষাক্ততা থেকে রা পেতে তেঁতুল ফলের শাঁসের শরবত খেলে শতভাগ সুফল পাওয়া যায়। এভাবে নিয়মিত খেলে প্যারালাইসিস আক্রানত্ম অঙ্গের অনুভূতি ফিরে আসে। এসব উপকার পেতে সরাসরি না খেয়ে পুরনো তেঁতুলের ৩/৪টি দানা এক কাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে লবণ অথবা চিনি দ্বারা খাওয়া অত্যধিক নিরাপদ। তেঁতুল গাছের ছালের চূর্ণ ব্যবহার করে হাঁপানি, চোখ জ্বালাপোড়া ও দাঁত ব্যথা থেকে মুক্ত থাকা যায়। তেঁতুল পাতা সিদ্ধ করে ছেঁকে সেই পানি জিরার ফোড়ন দিয়ে খেলে আমাশয় রোগ ভাল হয়। এভাবে ২/৩ দিন খেলে পেটে জমে থাকা মিউকাস বেরিয়ে আসে। মুখের ভিতরের ত সারাতে তেঁতুল পাতার সিদ্ধ পানি মুখে নিয়ে ২/৩ দিন ৪/৫ মিনিট করে রেখে কুলকুচি করা যায়। একই পানি দ্বারা শরীরের যে কোন নতুন ও পুরনো তস্থান ধুয়ে দিলে সেসব ত দ্রম্নত শুকিয়ে যায়। তেঁতুলের এত ঔষধি গুণ ছাড়াও যাবতীয় মুখরোচক খাবার তৈরিতেও এর ব্যবহারের কোন জুড়ি নেই।