Search for your desired matter

Dr.Fazle Mobin on Mar 3rd 2008

 
 
or in

আপনার প্রয়োজনীয় বিযয় খুজুন।

Comments Off

আয়ুরর্বেদের ত্রি-দোষ তত্ত্ব

Dr.Fazle Mobin on Oct 22nd 2007

আয়ুরর্বেদের ত্রি-দোষ তত্ত্ব । আয়ুরর্বেদ চিকিৎসা বিঙ্গান ৩টি বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত।
বায়ু, পিত্ত , কফ। এই ৩টি জিনিস প্রত্যেক মানুষের শরীরেই আছে। এই গুলো যখন মানব শরীরে স্বাভাবিক ভাবে থাকে তখন মানুষ রোগ ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকে।কিন্তু যখনই বায়ু , পিত্ত অথবা কফের যেকোন ১টির অস্বাভাবিক অবস্থায় বা প্রকুপিত অবস্থায় থাকে, তখনই মানব শরীরে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। তাই আয়ুরর্বেদ চিকিৎসা বিঙ্গানে ত্রি-দোষ তত্ত্বের গুরত্ব অপরিসীম। তাই আজ থেকে ৫০০০ বছর পুর্বের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা ত্রি-দোষ বিষয়ে মূল্যবান তথ্য প্রদান করে গেছেন।আর এই তথ্যের ভিত্তিতে হাজার হাজার বছর পূবের চিকিৎসকগণ থেকে শুরু করে আজ পযন্ত যত আয়ুরেবদ চিকিৎসক চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছেন তারা সবাই ত্রি-দোষ সূত্রের ভিত্তিতে রোগ নিণর্য় করে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন ।যারা ত্রি-দোষ বিদ্যায় যতবেশী দক্ষতা অর্জন করে রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে চিকিৎসা করেছেন তারা ততবেশী সনাম ধন্য চিকিৎসক হিসেবে ইতিহাসে পরিচিত হয়ে রয়েছেন। তাই আয়ুরর্বেদ পদ্ধতিতে রোগের চিকিৎসার জন্য বায়ু, পিত্ত ও কফ তথা ত্রি-দোষ জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক আয়ুরবেদ চিকিৎসেকর জন্য অত্যন্ত জরুরী।কিন্তু বর্তমান কালে যারা আয়ুরবেদ চিকিৎসা করেন তাদের অধিকাংশই এ ত্রি-দোষ জ্ঞান বঞ্চিত বিধায় তাদের মাধ্যমে সঠিক ভাবে আয়ুরবেদ চিকিৎসা পাওয়া আশা করা যায় না। এ কারনেই আজ শত শত তথা হাজার হাজার টাকা বিভিন্ন রোগের পিছে খরচ করেও রোগীরা তথাকথিত ‘ছদ্মচর বৈদ্য’ বা ভন্ড চিকিৎসকদের কাছ থেকে সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না। আর যারা আয়ুরবেদ চিকিৎসায় বাংলাদেশ তথা বিশ্বের বিভিন্ন স্থান হতে এম.বি.বি.এস সমতুল্য বি.এ.এম.এস অর্থাৎ ব্যাচেলর অব আয়ুর্বেদিক মেডিসিন এন্ড সার্জারী ডিগ্রী অর্জন করেছেন তারাও ত্রি-দোষ বিদ্যা পুরোপুরি অর্জন করেননি বিধায় চিকিৎসা পেশায় দক্ষতা দেখাতে পারছেন না। তাই মানুষ এসকল অধুনা আয়ুরর্বেদ হারবাল ডাক্তারদের কাছ থেকে আশানুরূপ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না যা খুবই চিন্তার বিষয়। তাই সাধারণ জনগণ তথা রোগী মহোদয় আয়ুরর্বেদ চিকিৎসার নামে খুবই প্রতারিত ও বিভ্রান্ত হচ্ছেন যা অধুনা এই শিক্ষিত সমাজে খুবই অনাকাক্ষিত। বা আয়ুরর্বেদ চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রাথমিক জ্ঞান বর্তমান জনসমাজে না থাকার কারণে জনসাধারণ অযথা ধোকা খাচ্ছেন ।তাই ত্রি-দোষ সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানা বর্তমান সমাজে সবার জন্য দরকার। অন্তত পক্ষে যারা এই ওয়েব সাইট visit করবেন তারা আমার দেয়া ত্রি-দোষ সংকান্ত সংক্ষিপ্ত তথ্য জেনে জীবনে এক অমূল্য সম্পদ অজ্র্ন করবেন বলে আশা রাখি।
চলবে….. :razz:

One response so far

বায়ু

Dr.Fazle Mobin on Oct 22nd 2007

বায়ু: যে পদার্খের রূপ নেই, গন্ধ নেই, কিন্তু ওজন আছে, আয়তন আছে, গতিশীল, শব্ধময় এবং স্পর্শন অনুভূত হয়, এবং বল প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে তাকে বায়ু বলে। বায়ুর অপর নাম প্রাণ। কারণ বায়ুই প্রাণকে রক্ষা করে।যতক্ষণ পযন্ত প্রাণী দেহে বায়ু চলাচল করে ততক্ষণ পযন্ত প্রাণী জীবিত। যখন কোন না কোন কারণে প্রাণীদেহ থেকে বায়ু বিচ্ছিন্ন হয়, তখন প্রাণী মৃত, দেহ একটি খাঁচা মাত্র। বায়ু ৫ প্রকার। স্বাভাবিক অবস্থায় বায়ু ইন্দ্রিয় সকলকে (হাত, পা, গুহ্যদেশ, লিঙ্গ, জিহবা, নাক, কান, চোখ, মুখ, মস্তিক,মন) সঠিক বা সুষ্ঠ ভাবে পরিচালনা করে।অবিকৃত স্বাভাবিক বায়ু সর্ব প্রকার কাজে উদ্যোগ বা উৎসাহ, প্রশ্বাস , নিঃশ্বাস, মৌখিক, শারীরিক ও মানসিক চেষ্টা, মলমূত্রাদির বেগ প্রবর্তন (প্রবৃত্তি, আরম্ভ, নিয়োজন), ধাতু সমুহের সম্মুখ গতি ও ইন্দ্রীয় সমুহের পটুত্ব দ্বারা শরীরকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে।
বায়ু তেজঃ পদার্থের সাথে সংয়ুক্ত হয়ে শালীনতা উৎপন্ন করে। বায়ু যখন অবিকৃত
অবস্থায় থাকে, তখন দোষ, মল ও অগ্নির স্বাভাবিক কার্যাদি সম্পাদন করে। একে প্রকৃতি বা স্বাভাবিক কার্য বলে।
বায়ু যখন কুপিত বা অস্বাভাবিক হয়, তখন দেহে নানা প্রকার রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়। যেমন: ত্বকের কর্কশতা, কন্ঠস্বর কর্কশতা, ধাতুক্ষয়, রাত্রিজাগরণ, মার্গাবরণ, অতিমৈথুন, মলমূত্র, অধোবায়ু, বমি, হাঁচি, ক্ষুধা, পিপাসা, অশ্রু, নিদ্রা এবং শ্রমজনিত নিঃশ্বাসের বেগ ধারণ।

বায়ু বায়ুর প্রকার অবস্থান
উদান বায়ু কন্ঠ নালী
প্রাণ বায়ু হৃদয়(Heart)
সমান বায়ু নাভী
অপান বায়ু মলাশয়
ব্যাণ বায়ু ত্বক

১)উদান বায়ুঃ
কাজঃ কন্ঠে অবস্থিত উদান বায়ু উর্দ্ধগত হয়ে
ক) বাক্য বলা
খ) ভাষনাদি ও
গ) সংগিতাদি সম্পাদন করে থাকে।
উদান বায়ু কুপিত হলেঃ
ক. উর্দ্ধগ মুখ,
খ. দন্ত- রোগ,
গ. কন্ঠ বা গলা রোগসমূহ এবং
ঘ. স্বরভঙ্গ উৎপন্ন করে।
২) প্রাণ বায়ুঃ
কাজঃ হৃদয়ে অবস্থিত প্রাণ বায়ু মুখে গমন পূর্বক -
ক. খাদ্য ও পানীয় গলাধঃকরন করে থাকে,
খ. প্রাণকে রক্ষা করে থাকে।
প্রাণ বায়ু কুপিত হলেঃ
ক. হিক্কা রোগ (Hiccup)
খ. শ্বাস রোগ (Asthma)
গ. শ্বাসনালীর ঝিল্লীর প্রদাহজনিত রোগ বা কফরোগ (Bronchitis)
ঘ. রুক্ষস্বর বিশিষ্ট রোগ (Hoarseness)
৩) সমান বায়ুঃ
কাজঃ আমপক্কাশয়চর অগ্নিসংগত সমান বায়ু -
ক. ভূক্ত দ্রব্যকে পরিপাক শেষে উৎপন্ন রসাদিকে পৃথক করে রাখে।
সমন- বায়ু কুপিত হলেঃ
ক. অগ্নিমান্দ্য (Indigestion)
খ. অতিসারও (Diarehoea)
গ. গুল্মরোগ উৎপন্ন হয়।
৪) অপান বায়ুঃ
কাজঃ পক্কাশয়স্থিত অপান বায়ু উপযুক্ত সময়ে- ক. মল, খ. মূত্র, গ. শুক্র, ঘ. গর্ভ এবং ঙ) আর্বতকে বহিঃনিঃসারন করে থাকে।
অপান বায়ু কুপিত হলেঃ
ক. বস্তি-রোগ
খ. গুহ্যাশ্রিত উৎকট রোগ
গ. শুক্রদোষ এবং
ঘ. প্রমেহ রোগ উৎপন্ন হয়।
৫) ব্যান বায়ুঃ
কাজঃ সর্ব শরীরস’ ব্যান বায়ু, রসসংব ক্রয়া সম্পাদন করে :-
ক. স্বেদ ও
খ. শৌনিতের (রক্তের) নিঃসারন করে।
ব্যান বায়ু কুপিত হলেঃ
ক. শরীর শিথিল ও অবসন্ন,
খ. বিনা পরিশ্রমে ক্লানি-বোধ
গ. অঙ্গ স্পন্দন
ঘ. গা, মাথা ঘোরা
ঙ. আক্ষেপ বা খিচুনি
চ. ধনুস্টংকার প্রভৃতি সর্বাঙ্গগত রোগ উৎপন্ন করে।

No responses yet

Herbal Medicine

Dr.Fazle Mobin on Oct 22nd 2007

The study or use of medicinal herbs to prevent and treat diseases and ailments
or to promote health and healing.
A drug or preparation made from a plant or plants and used for any of such purposes.
Plants have been used for medicinal purposes for as long as history has been recorded.
Use of natural plant substances (botanicals) to treat and prevent illness. The practice has existed since prehistoric times and flourishes today as the primary form of medicine for perhaps as much as 80% of the world’s population. Over 80,000 species of plants are in use throughout the world.
Herbs may be used directly as teas or extracts, or they may be used in the production of drugs. Approximately 25% of the prescription drugs sold in the United States are plant based. Many more herbal ingredients are present in over-the-counter drugs, such as laxatives. Medicines that come from plants include aspirin from willow bark (Salix species) and digitalis from foxglove (Digitalis purpurea).

Scientific interest in herbal medicine in the United States has lagged behind that in the countries of Asia and W Europe; in Germany, for example, one third of graduating physicians have studied herbal medicine, and a comprehensive therapeutic guide to herbal medicines has long been published there. Nonetheless, millions of people in the United States use herbal products to treat a wide variety of ailments or to enhance health. Among the more popular remedies used are ginseng, to increase stamina and as a mild sedative; St.-John’s-wort, for mild depression; Echinacea, to aid the immune system and alleviate colds; kava, to calm anxiety
and treat insomnia; saw palmetto, for enlarged prostate; and ginkgo biloba, to improve short-term memory (see ginkgo). Some people have used botanicals in an attempt to stave off serious illnesses such as AIDS.

A great variety of plants are used for medicinal treatments. Either the dried plant, or a specific part of it (root, leaves, fruit, flowers, seeds), is formulated into suitable preparations compressed as tablets or made into pills, used to make infusions (teas), extracts, tinctures, etc., or mixed with excipients to make lotions, ointments, creams, etc. :grin:

Comments Off

কতিপয় SINGLE বা একক হারবাল ঔষধের গুনাগুন

Dr.Fazle Mobin on Oct 21st 2007

আদিযুগে গাছপালার মাধ্যমেই মানুষের রোগের চিকিৎসা করা হতো। এই চিকিৎসা বর্তমানে ‘হারবাল চিকিৎসা’ তথা ‘অলটারনেটিভ ট্রিটমেন্ট’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে এই চিকিৎসা বেশী প্রচলিত। পাশাপাশি উন্নত বিশ্বেও এই চিকিৎসা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
নিম্নে পাঠক-পাঠিকার উপকারার্থে কতিপয় SINGLE বা একক হারবাল ঔষধের গুনাগুন তুলে ধরা হলো। আশাকরি সবাই এথেকে উপকৃত হবেন।
কৌষ্টকাঠিন্য বা কষা (CONSTIPATION) :
এরোগে ঈসবগুলের ভূষি ৪ চা-চামচ ১ গ্লাস গরম দুধে মিশিয়ে সাথে সাথে সেব্য। এভাবে ২/৪ দিন খেলে ভাল উপকার পাওয়া যায়। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খেতে হবে। এরপরেও উপকার না পেলে অর্থাৎ রোগের তীব্রতায় কোন রেজিষ্টার্ড হারবাল চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
হাত-পা জ্বালাপোড়া এবং হাত ও পায়ের তালু ঘামা:
ধনিয়া ও মৌঢ়ী(ছব) ১ চা-চামচ প্রত্যকটি নিয়ে ১ গ্লাসপানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এভাবে দিনে ২ বেলা পান করুন। জ্বালাপোড়ার জন্য এর সাথে গুলন্চ/ গুড়ুচী লতা ভিজানো পানি ২ বেলা পান করতে পারেন।
প্রসাবের সাথে ক্ষয়:
প্রসাবের আগে ও পরে অতিরিক্ত পরিমাণ পিচ্ছিল পদার্থ নিঃসরণ হলে রোগের স্বাভাবিক অবস্থায় ১টি ডাবের পানির মধ্যে ১টুকরা ফিটকিরি দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন এভাবে দিনে ২বেলা খালি পেটে সেবন করুন। আশাকরি উপকার পাবেন।
যারা বেশীক্ষণ অজু রাখতে পারেন না:
তাদের জন্য জীরাভাঁঙ্গাচূর্ণ ১ চা-চামচ মাত্রায় ২ বেলা আহারের পর সেব্য। এতে বদহজমেও উপকার পাবেন।
স্বাভাবিক আমাশয় রোগে:
মাঝে মাঝে যাদের পায়খানার সাথে অল্প অল্প আম যেতে দেখা যায় তারা কাঁচাবেল ভেঙ্গে অথবা বেলশুঁট পানিতে ভিজিয়ে রেখে তা দিনে ২ বেলা সেবন করুন।
স্মৃতিশক্তিহীনতায়:
থানকুনী পাতার রস ৪ চা-চামচ করে দিনে ২ বেলা খালিপেটে সেব্য। ইহা আমশয় এবং সিফিলিছের জন্যও উপকারী।
গ্যাস্টিক তথা অক্রপিত্তে(HYPER ACEDITY):
এক্ষেত্রে ৩ বেলা কাঁচা আমলকী ২টি করে চিবিয়ে খেয়ে ১ গ্লাস পানি খাবেন।
বাচ্চাদের বদহজম, পেটব্যাথা, উদারময়, স্বরযন্ত্রের প্রদাহ, জ্বর জ্বর ভাব প্রভৃতিতে:
পানের রস ১ চা চামচ মধু ১/২ চা-চামচ মাত্রায় সেবন করতে হবে।
যৌন দুর্বলতায়:
কালিজীরা ১ চা চামচ সমান মধু সহ রাতে খাবারের পর এবং সকালে খালিপেটে চিবিয়ে খেতে দেখুন।
স্বাভাবিক বাতের ব্যাথায়:
ত্রিফলা তথা আমলকী, হরতকী ও বহেয়া ভিজানো পানি দিনে ২ বেলা পান করে দেখুন। এর সংগে রসুন ও সরিষার তেল একত্রে সিদ্ধ করে মালিশ করতে পারেন।

One response so far

‘আয়ুর্বেদ’ শব্দের অর্থ

Dr.Fazle Mobin on Sep 22nd 2007

‘আয়ু’ শব্দের অর্থ ‘জীবন’ এবং ‘বের্দ’ শব্দের অর্থ ‘জ্ঞান’ বা ‘বিদ্যা’। ‘আয়ুর্বেদ’ শব্দের অর্থ জীবনজ্ঞান বা জীববিদ্যা। অর্থাত্‍ যে জ্ঞানের মাধ্যমে জীবের কল্যাণ সাধন হয় তাকে আয়ুর্বেদ বা জীববিদ্যা বলা হয়। আয়ুর্বেদ চিকিত্‍সা বলতে ভেষজ বা উদ্ভিদের মাধ্যমে যে চিকিত্‍সা দেয়া হয় তাকে বুঝানো হয়। এই চিকিত্‍সা ৫০০০ বছরের পুরাতন। আদি যুগে গাছপালার মাধ্যমেই মানুষের রোগের চিকিসা করা হতো। এই চিকিত্‍সা বর্তমানে ‘হারবাল চিকিত্‍সা’ তথা ‘অলটারনেটিভ ট্রিটমেন্ট’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে এই চিকিত্‍সা বেশী প্রচলিত। পাশাপাশি উন্নত বিশ্বেও এই চিকিত্‍সা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কারন মর্ডান এলোপ্যাথি অনেক ঔষধেরই side effect বা পার্শ প্রতিক্রিয়া রয়েছে। যেমনঃ ঔষধ সিপ্রোফ্লক্রাসিন, ফ্লুক্লক্রাসিলিন, মেট্রোনিডাজল, ক্লক্রাসিলিন প্রভৃতি ঔষধ রোগ সারানোর পাশাপাশি মানব শরীরকে দুবর্ল করে ফেলে এবং দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে স্মৃতিশক্তি, যৌনশক্তি, কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার ইতিহাস পাওয়া যায়। কিন্তু তবুও দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য মানুষ এগুলো ব্যবহার করে চলেছে। পক্ষান্তরে ডাক্তারও ঔষধ ব্যবসায়ীগন এসকল সাইড এফেক্ট পরওয়া না করে সুনামের জন্য অনবরত দেদারছে রোগীদেরকে এসকল ঔষধ দিয়ে যাচ্ছেন। তাই এখন এ ঔষধের বিকল্প ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত হিসেবে বিশ্বে এখন ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।……চলবে

4 responses so far