Search for your desired matter
Mar 8th, 2010 by tusherdcc
Want a happy and healthy life…
Mar 8th, 2010 by tusherdcc
Jan 7th, 2010 by admin
নবজ্বর:
কারণ : ঠান্ডা লাগা, বৃষ্টিতে ভিজা, রোদে বেড়ান, ভিজা কাপড়ে থাকা, ঋতু পরিবর্তন ইত্যাদি কারণে এই জ্বর হয়।
লক্ষণ : এই জ্বরে একবার শীত একবার উত্তাপ বোধ হয। পিপাসা বাড়ে জিহ্বা শুস্ক হয়। কোমর বেদনা, শিরঃপীড়া ও ক্ষুধাহীনতা দেখা দেয়।
চিকিৎসা : এই জ্বরে রোগীকে লঘুপথ্য যেমন এরারুট, বার্লি, খই, বাতাসা, মুগ বা মসুরের রস দেয়া উচিত। শরীরে জ্বর ভাব হলেই চিরতা ভিজান জল, শেফালি পাতার রস মধুসহ সেব্য। মৃত্যুঞ্জয় রস, হিঙ্গুলেশ্বর বটী মধুসহ সেবন করাতে হবে।
(Catarrhal fever is a common disease. It is a sort of synochus of the lighter kind, continuous and remitting, and commencing towards evening with a slight chill, rather resembling a creeping over the bones, accompanied by a soft pulse which is not very much accelerated, thirst, restlessness, and sometimes great lassitude.)
Feb 12th, 2009 by admin
পঞ্চ অর্থ পাচঁ আর মহাভূত অর্থ প্রাথমিক উপাদান বা ভূত। আকাশ, বায়ু, অগ্নি, জল ও ক্ষিতি এই ৫টি পদার্থ প্রাচীন ভারতীয় বা বৈদিক দর্শন মতে দ্রব্যের মৌলিক উপাদান। এজন্য মহাভূত বা আদি পদার্থ (Basic elements) বলে। ইহারা সংখ্যায় পাচঁ বলে এদেরকে পঞ্চমহাভূত বলে।
মানুষের ৫টি অনুভূতিশীল অংগ রয়েছে যার দ্বারা সে পৃথিবীর বাইরের কাজগুলো বুঝতে পারে। এই ৫টি অংগ হলো কান, তক্ব, চক্ষু, জিহবা এবং নাক। এই ৫টি অনুভূতিশীল অঙ্গের শক্তি দ্বারা সে শুধুমাত্র পৃথিবীর বাহ্যিক উদ্দেশ্য বা কাজগুলো বুঝতে পারে। এই অনুভূতিশীল অঙ্গের উপর ভিত্তি করেই বিশ্ব ব্রাক্ষ্রান্ড পাচঁটি ভাগে বিভক্ত যা পঞ্চ মহাভূত নামে পরিচিত।
৫ প্রকার মহভূত যথাক্রমে :
১.আকাশ বা ব্যোম
২. বায়ু বা মরুৎ
৩. অগ্নি বা তেজ
৪. জল বা অপ
৫. মাটি বা ক্ষিতি
পঞ্চ মহাভূতের সাথে ত্রিদোষের সম্পর্ক :
আকাশ বা ব্যোম ও বায়ু বা মরুৎ > বায়ু
অগ্নি বা তেজ > পিও
জল বা অপ ও মাটি বা ক্ষিতি > কফ
Feb 12th, 2009 by admin
Medicine/ Drug:
Drug is a substance which is taken internally and externally to cure diseases.
ঔষধ :
যে সকল দ্রব্য মানবদেহে প্রবেশ করলে উক্ত দ্রব্যের গুণগত সত্ত্বার মাধ্যমে শরীরে প্রক্রিয়াশীল হয়ে শরীরে আগত অস্বাভাবিদ অবস্থাকে স্বাভাবিক করে ব্যাধিমুক্ত করে এবং অন্যদের রোগ উৎপন্ন করে না, ইহার নাম ওষধ।
যা শরীর ধারণ ও পোষন করে, তাক ধাতু বলে। অর্থাৎ পেটরোল দ্বারা গাড়ী চলে তেমনি ধাতু সকল ও শরীরকে ধারণ ও পোষণ করে বা পরিচালনা করে।অথবা, বায়ু, পিও ও কফ এদের স্বাভাবিক কার্য দ্বারা দেহের পুষ্টি ও বলকে ধারণ করে বলে এগুলোকে ধাতু বলে।
সপ্তধাতু:
রস, রক্ত, মাংস, মেদ, অস্থি, মজ্জা ও শুক্র – এই সাতটি শারীর দ্রব্য । শরীর ও প্রাণকে ধারণ করে থাকে বলে এদেরকে ধাতু বলা হয়। এরা সংখ্যায় সাত বলে এদেরকে সপ্তধাতু বলে।
সপ্তধাতুর কার্য :
রস (Fluid/Chymus): রসের প্রধান কার্য পীনন। অর্থাৎ ইন্দ্রিয়সমূহের প্রসন্নতাপূর্বক মনের প্রীতি সম্পাদন। এছাড়াও রক্তের পুষ্টি সাধন, শরীরের তুষ্টি সাধন।
উৎপত্তি : ইহা হৃদয় এবং ১টি রক্তবাহ থেকে উৎপন্ন হয়।
রক্ত (Blood): রক্তের প্রধান কাজ জীবন রক্ষণ। এছাড়া মাংসের পোষন ও বর্ণ প্রসাদন ।
উৎপত্তি : লিভার ও প্লীহা।
মাংস (Muscle/Flesh):মাংসের প্রধান কাজ লেপন । এছাড়া শরীরের পোষণ ও মেদের পুষ্টি সাধন।
উৎপত্তি : পেশীবন্ধনী এবং ত্বক।
মেদ (Fat): মেদের প্রধান কাজ স্নেহন । এছাড়া স্বেদন (ঘামউৎপাদন), শরীরের দৃঢ়তা সম্পাদন ও অস্থিসমূহের পুষ্টিসাধন — এগুলো মেদের কাজ।
উৎপত্তি : বৃক্ক ও মেন্টাস।
অস্থি (Bone) : অস্থির প্রধান কাজ দেহ ধারণ(শরীরের গঠন ও স্থিরতা সম্পাদন)। এছাড়া মজ্জার পুষ্টিসাধন।
উৎপত্তি : এডোপোস টিস্যু ও পাছা।
মজ্জা (Marrow): এর প্রধান কাজ অস্থির অভ্যন্তরস্থ ছিদ্রাদির পূরণ। এছাড়া স্নেহন, বল বর্ধন, প্রীতিসাধন, শুক্রপোষণ ও অস্থিসমূহের পূরণ।
উৎপত্তি : হাড় ও গিট।
শুক্র (Mater sparm): শুক্রের প্রধান কাজ গর্ভোৎপাদন। এছাড়া স্ত্রীলোকের বেলায় ডিম্বকোষ, এদের কাজ ধের্য্যচুতি (প্রমাণ দর্শনে ক্রোধ প্রদর্শন ও তৎপরতা) প্রীতি সাধন ও দেহের বলবর্ধন। শুক্রমোচনার্থে হটোৎপাদন এবং গর্ভজনন।
যা শরীর বা দেহকে মনীলিকার অর্থাৎ শরীরের দুর্গন্ধযুক্ত দ্রব্য বা পদার্থ সকলকে রের করে দিয়ে শরীরকে মণীলি বা পবিত্র করে, ইহাদেরকে মল বলে। মল তিন প্রকার। যথা:
১. পুরীষ,
২.মূত্র ও
৩. স্বেদ বা ঘর্ম
এগুলি ছাড়াও নাকের শ্লেষ্মা, অপ্রয়োজনীয় চুল, হাত-পায়ের নখ, চোখের ময়লা (কেতুর), চোখের জল ইত্যাদিকেও মল হিসেবে ধরা হয়েছে।
বায়ু প্রকোপে মল কালবর্ণ হয়।
পিও প্রকোপে মল পীত বা ঈষৎ বর্ণ হয়।
কফ প্রকোপে মল শ্বেতবর্ণ হয়।
মলের কাজ:
পুরীষ : এর প্রধান কাজ শরীরকে ধারন।
পুরীষ : এর প্রধান কাজ অভ্যন্তলিন ক্লেদ নেঃসরণ।
ঘর্ম : এর প্রধান কাজ ক্লেদ নির্ধারন ও কেশ রোমাদির রক্ষণ।
Oct 22nd, 2007 by admin
আয়ুরর্বেদের ত্রি-দোষ তত্ত্ব । আয়ুরর্বেদ চিকিৎসা বিঙ্গান ৩টি বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত।
বায়ু, পিত্ত , কফ। এই ৩টি জিনিস প্রত্যেক মানুষের শরীরেই আছে। এই গুলো যখন মানব শরীরে স্বাভাবিক ভাবে থাকে তখন মানুষ রোগ ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকে।কিন্তু যখনই বায়ু , পিত্ত অথবা কফের যেকোন ১টির অস্বাভাবিক অবস্থায় বা প্রকুপিত অবস্থায় থাকে, তখনই মানব শরীরে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। তাই আয়ুরর্বেদ চিকিৎসা বিঙ্গানে ত্রি-দোষ তত্ত্বের গুরত্ব অপরিসীম। তাই আজ থেকে ৫০০০ বছর পুর্বের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা ত্রি-দোষ বিষয়ে মূল্যবান তথ্য প্রদান করে গেছেন।আর এই তথ্যের ভিত্তিতে হাজার হাজার বছর পূবের চিকিৎসকগণ থেকে শুরু করে আজ পযন্ত যত আয়ুরেবদ চিকিৎসক চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছেন তারা সবাই ত্রি-দোষ সূত্রের ভিত্তিতে রোগ নিণর্য় করে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন ।যারা ত্রি-দোষ বিদ্যায় যতবেশী দক্ষতা অর্জন করে রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে চিকিৎসা করেছেন তারা ততবেশী সনাম ধন্য চিকিৎসক হিসেবে ইতিহাসে পরিচিত হয়ে রয়েছেন। তাই আয়ুরর্বেদ পদ্ধতিতে রোগের চিকিৎসার জন্য বায়ু, পিত্ত ও কফ তথা ত্রি-দোষ জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক আয়ুরবেদ চিকিৎসেকর জন্য অত্যন্ত জরুরী।কিন্তু বর্তমান কালে যারা আয়ুরবেদ চিকিৎসা করেন তাদের অধিকাংশই এ ত্রি-দোষ জ্ঞান বঞ্চিত বিধায় তাদের মাধ্যমে সঠিক ভাবে আয়ুরবেদ চিকিৎসা পাওয়া আশা করা যায় না। এ কারনেই আজ শত শত তথা হাজার হাজার টাকা বিভিন্ন রোগের পিছে খরচ করেও রোগীরা তথাকথিত ‘ছদ্মচর বৈদ্য’ বা ভন্ড চিকিৎসকদের কাছ থেকে সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না। আর যারা আয়ুরবেদ চিকিৎসায় বাংলাদেশ তথা বিশ্বের বিভিন্ন স্থান হতে এম.বি.বি.এস সমতুল্য বি.এ.এম.এস অর্থাৎ ব্যাচেলর অব আয়ুর্বেদিক মেডিসিন এন্ড সার্জারী ডিগ্রী অর্জন করেছেন তারাও ত্রি-দোষ বিদ্যা পুরোপুরি অর্জন করেননি বিধায় চিকিৎসা পেশায় দক্ষতা দেখাতে পারছেন না। তাই মানুষ এসকল অধুনা আয়ুরর্বেদ হারবাল ডাক্তারদের কাছ থেকে আশানুরূপ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না যা খুবই চিন্তার বিষয়। তাই সাধারণ জনগণ তথা রোগী মহোদয় আয়ুরর্বেদ চিকিৎসার নামে খুবই প্রতারিত ও বিভ্রান্ত হচ্ছেন যা অধুনা এই শিক্ষিত সমাজে খুবই অনাকাক্ষিত। বা আয়ুরর্বেদ চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রাথমিক জ্ঞান বর্তমান জনসমাজে না থাকার কারণে জনসাধারণ অযথা ধোকা খাচ্ছেন ।তাই ত্রি-দোষ সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানা বর্তমান সমাজে সবার জন্য দরকার। অন্তত পক্ষে যারা এই ওয়েব সাইট visit করবেন তারা আমার দেয়া ত্রি-দোষ সংকান্ত সংক্ষিপ্ত তথ্য জেনে জীবনে এক অমূল্য সম্পদ অজ্র্ন করবেন বলে আশা রাখি।
চলবে…..
বায়ু: যে পদার্খের রূপ নেই, গন্ধ নেই, কিন্তু ওজন আছে, আয়তন আছে, গতিশীল, শব্ধময় এবং স্পর্শন অনুভূত হয়, এবং বল প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে তাকে বায়ু বলে। বায়ুর অপর নাম প্রাণ। কারণ বায়ুই প্রাণকে রক্ষা করে।যতক্ষণ পযন্ত প্রাণী দেহে বায়ু চলাচল করে ততক্ষণ পযন্ত প্রাণী জীবিত। যখন কোন না কোন কারণে প্রাণীদেহ থেকে বায়ু বিচ্ছিন্ন হয়, তখন প্রাণী মৃত, দেহ একটি খাঁচা মাত্র। বায়ু ৫ প্রকার। স্বাভাবিক অবস্থায় বায়ু ইন্দ্রিয় সকলকে (হাত, পা, গুহ্যদেশ, লিঙ্গ, জিহবা, নাক, কান, চোখ, মুখ, মস্তিক,মন) সঠিক বা সুষ্ঠ ভাবে পরিচালনা করে।অবিকৃত স্বাভাবিক বায়ু সর্ব প্রকার কাজে উদ্যোগ বা উৎসাহ, প্রশ্বাস , নিঃশ্বাস, মৌখিক, শারীরিক ও মানসিক চেষ্টা, মলমূত্রাদির বেগ প্রবর্তন (প্রবৃত্তি, আরম্ভ, নিয়োজন), ধাতু সমুহের সম্মুখ গতি ও ইন্দ্রীয় সমুহের পটুত্ব দ্বারা শরীরকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে।
বায়ু তেজঃ পদার্থের সাথে সংয়ুক্ত হয়ে শালীনতা উৎপন্ন করে। বায়ু যখন অবিকৃত
অবস্থায় থাকে, তখন দোষ, মল ও অগ্নির স্বাভাবিক কার্যাদি সম্পাদন করে। একে প্রকৃতি বা স্বাভাবিক কার্য বলে।
বায়ু যখন কুপিত বা অস্বাভাবিক হয়, তখন দেহে নানা প্রকার রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়। যেমন: ত্বকের কর্কশতা, কন্ঠস্বর কর্কশতা, ধাতুক্ষয়, রাত্রিজাগরণ, মার্গাবরণ, অতিমৈথুন, মলমূত্র, অধোবায়ু, বমি, হাঁচি, ক্ষুধা, পিপাসা, অশ্রু, নিদ্রা এবং শ্রমজনিত নিঃশ্বাসের বেগ ধারণ।
| বায়ু | বায়ুর প্রকার | অবস্থান |
| উদান বায়ু | কন্ঠ নালী | |
| প্রাণ বায়ু | হৃদয়(Heart) | |
| সমান বায়ু | নাভী | |
| অপান বায়ু | মলাশয় | |
| ব্যাণ বায়ু | ত্বক |
Oct 22nd, 2007 by admin
The study or use of medicinal herbs to prevent and treat diseases and ailments
or to promote health and healing.
A drug or preparation made from a plant or plants and used for any of such purposes.
Plants have been used for medicinal purposes for as long as history has been recorded.
Use of natural plant substances (botanicals) to treat and prevent illness. The practice has existed since prehistoric times and flourishes today as the primary form of medicine for perhaps as much as 80% of the world’s population. Over 80,000 species of plants are in use throughout the world.
Herbs may be used directly as teas or extracts, or they may be used in the production of drugs. Approximately 25% of the prescription drugs sold in the United States are plant based. Many more herbal ingredients are present in over-the-counter drugs, such as laxatives. Medicines that come from plants include aspirin from willow bark (Salix species) and digitalis from foxglove (Digitalis purpurea).
Scientific interest in herbal medicine in the United States has lagged behind that in the countries of Asia and W Europe; in Germany, for example, one third of graduating physicians have studied herbal medicine, and a comprehensive therapeutic guide to herbal medicines has long been published there. Nonetheless, millions of people in the United States use herbal products to treat a wide variety of ailments or to enhance health. Among the more popular remedies used are ginseng, to increase stamina and as a mild sedative; St.-John’s-wort, for mild depression; Echinacea, to aid the immune system and alleviate colds; kava, to calm anxiety
and treat insomnia; saw palmetto, for enlarged prostate; and ginkgo biloba, to improve short-term memory (see ginkgo). Some people have used botanicals in an attempt to stave off serious illnesses such as AIDS.
A great variety of plants are used for medicinal treatments. Either the dried plant, or a specific part of it (root, leaves, fruit, flowers, seeds), is formulated into suitable preparations compressed as tablets or made into pills, used to make infusions (teas), extracts, tinctures, etc., or mixed with excipients to make lotions, ointments, creams, etc. ![]()
Oct 21st, 2007 by admin
আদিযুগে গাছপালার মাধ্যমেই মানুষের রোগের চিকিৎসা করা হতো। এই চিকিৎসা বর্তমানে ‘হারবাল চিকিৎসা’ তথা ‘অলটারনেটিভ ট্রিটমেন্ট’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে এই চিকিৎসা বেশী প্রচলিত। পাশাপাশি উন্নত বিশ্বেও এই চিকিৎসা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
নিম্নে পাঠক-পাঠিকার উপকারার্থে কতিপয় SINGLE বা একক হারবাল ঔষধের গুনাগুন তুলে ধরা হলো। আশাকরি সবাই এথেকে উপকৃত হবেন।
কৌষ্টকাঠিন্য বা কষা (CONSTIPATION) :
এরোগে ঈসবগুলের ভূষি ৪ চা-চামচ ১ গ্লাস গরম দুধে মিশিয়ে সাথে সাথে সেব্য। এভাবে ২/৪ দিন খেলে ভাল উপকার পাওয়া যায়। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খেতে হবে। এরপরেও উপকার না পেলে অর্থাৎ রোগের তীব্রতায় কোন রেজিষ্টার্ড হারবাল চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
যৌন দুর্বলতায়:
কালিজীরা ১ চা চামচ সমান মধু সহ রাতে খাবারের পর এবং সকালে খালিপেটে চিবিয়ে খেতে দেখুন।
হাত-পা জ্বালাপোড়া এবং হাত ও পায়ের তালু ঘামা:
ধনিয়া ও মৌঢ়ী(ছব) ১ চা-চামচ প্রত্যকটি নিয়ে ১ গ্লাসপানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এভাবে দিনে ২ বেলা পান করুন। জ্বালাপোড়ার জন্য এর সাথে গুলন্চ/ গুড়ুচী লতা ভিজানো পানি ২ বেলা পান করতে পারেন।
Continue Reading »